Posted by S21KV on May 12, 2020
নেট কন্ট্রোলার এর রোজনামচা (পঞ্চম পর্ব)

নেট কন্ট্রোলার এর রোজনামচা (পঞ্চম পর্ব)

নেট কন্ট্রোলার এর রোজনামচা

পঞ্চম পর্ব
নেতৃত্ব দেয়া বা জ্ঞান দেয়ার মনোবাসনা আমার কক্ষনো ছিল না বা নাই, আমি শুধু মাত্র সময়ের প্রয়োজনে একটা রোল প্লে করতেছি, আমাদের দেশের এমেচার রেডিও অপারেটরা অনেক পিছেয়ে আছে।
অনেক গুলো কারন আছে আমি চেষ্টা করছি বের করার আপনারাও কমেন্টে জানিয়েন যেগুলো আপনারা মনে করেন।
১. প্রথম প্রথম যারা শুরু করেছিল তারা অনেকেই দেশে নাই,
২. সঠিক নেতৃত্বর অভাব,
৩. নিতি নির্ধারক দের অনিহা পরীক্ষা এবং অন্যান্য বিষয়ে,
৪. বিভিন্ন নিয়মনিতির ও আইনি জটিলতা,
৫. ভিন্ন মত গ্রহন না করার মানুসিকতা, নিজেদের মধ্যে সহনশীলতা না থাকা,
৬. যন্ত্রাংশ সহজলভ্যতা না থাকা এবং দামও অনেক বেশি,
৭. সঠিক প্রচার প্রচরনা নাই,
৮. এই বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক কোন শিক্ষার বাবস্থা নাই, কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই বিষয়ে কোন কারিকুলাম নাই কোন গবেষণা নাই (ব্রাক সহ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে কিঞ্চিৎ কাজ হয়েছে তাও এখন বন্ধ)
এই তো গেলো সমস্যার কথা,
অ্যালগরিদম সাইন্সে একটা কথা আছে আইডিন্টিফাই দা প্রবলেম ইজ দা সল্ভ অফ এইট্টি পারসেন্ট,
আমি নিতি নির্ধারকদের নিয়ে যে সমস্যা আছে ওইটা বড় করে দেখি না কারন ওনাদের তো বোঝাতে হবে বিষয়টা তারপর ওনারা সুজক সুবিধা দিবে। তবে নির্ধারকদের সাথে বারে বারে এই প্রক্রিয়া করতে হবে কারন সরকারী চাকুরীজীবী সব সময় একি পদে এবং একি স্থানে থাকে না তাদের বদলি, পদন্নতি হয়।
সরকারী বিভিন্ন নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান, আইন প্রয়োগ কারি প্রতিষ্ঠান, সশস্ত্র বাহিনি, নৌ বাহিনি, বিমান বাহিনী ছাড়াও সিটি কর্পোরেশন সহ অনেক সরকারী প্রতিষ্ঠানে সিগন্যালস বা রেডিও ডিপার্টমেন্ট আছে।
বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, কর্পোরেট কোম্পানি, মিডিয়া, তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি, টেলিকম ছাড়াও পরিবহণ সেক্টরে রেডিওর ব্যাবহার এখন অনেক(আমি তো শুনছি সুপার শপেও রেডিও ব্যাবহার হয়)
আমরা যদি একটা সমন্বিত বাবস্থা নিতে পারি যাতে শিক্ষার্থী সাধারন শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা হিসেবে এই রেডিও যোগাযোগ বাবস্থা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে শিখতে পারে তাহলে কর্ম জীবনে প্রবেশের সময় তারা একটা এক্সট্রা যোগ্যতা আগেই অর্জন করবে (আর কত দিন আমরা তৈলাক্ত বাঁশে বানরের বেয়ে চলার অঙ্ক করবো)
আমরা যেই অল্প কয়েকজন একটিভ হ্যাম (৭০-১০০) বাংলাদেশে আছি তারা যদি নিজেদের ego টা কে একটু আলগা করে e কে বাদ দিয়ে go করি তাহলে আপাতত আগানো শুরু করা যায়।
একদিন এই সেক্টরে অনেক চৌকস বুদ্ধিমান ছেলে মেয়েরা আসবে আমরা যদি এখন না আগাই তাহলে তখন তারা বলবে কতগুলা বোকার জন্নে আমাদের দেশের হ্যামরা এত পিছিয়ে ছিল।
কাতার অস্কার ১০০, এমসেট অস্কার ৭ সহ অনেক অনেক হ্যাম স্যাটেলাইট আছে যেগুলোতে এখনো আমরা পদচারনা শুরুই করি নাই (নেপালিরা করছে)।
আমরা কতটা পিছিয়ে আছি একটা উদাহরণ দেই নেপালে হ্যাম চর্চা প্রথম চালু এবং পরীক্ষা নেওয়া হয় ১৯৯৭ সালে মাত্র ৫ জন পরীক্ষারতি ছিল এবং তারপর তারা সব ভুলে যায় আবার শুরু করে ২০১১ সালে কিন্তু বেশ জোরে শোরেই শুরু করে বর্তমানে তারা বছরে নুন্নতম দুবার পরীক্ষা নেয়। আথচ আমাদের দেশে ২০০৮ সালেই অটোমেটেড কম্পিউটার বেইজড পরীক্ষা চালু হয় আর এখন পরীক্ষা কয়েক বছর পর পর হয়(তাও অনেক বলে কয়ে পরীক্ষার ডেট নিতে হয়)।
আরেকটা উদাহরণ দেই বাংলাদেশে টেলিভিশন অন এয়ার হয় ১৯৬৪ সালে আর মালায়সিয়া এবং সিঙ্গাপুরে টেলিভিশন অন এয়ার হয় ১৯৬৩ সালে।
বাংলাদেশে এয়ার পোর্ট এবং এয়ার ট্র্যাভেল শুরু হয় ১৯৪৩ সালে আর মালায়সিয়া এবং সিঙ্গাপুরে এয়ার পোর্ট এবং এয়ার ট্র্যাভেল শুরু হয় ১৯৪৭ সালে।
ওই দেশ থেকে এক সময় ঢাকা মেডিকেল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররা পরতে আসতো।
ভাইরে আমরা পরশ পাথর হাতে পাই তবে সেই পাথর দিয়া আমরা মসলা বাটি।

 

Please follow and like us:
Post a Comment

Leave a Reply

Translate »
%d bloggers like this: