Posted by admin on Sep 22, 2017

কিভাবে কালার কোড দেখে বের করব রোধের মান?

 

বলুন তো, ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতিতে সবথেকে বেশি ব্যবহার হয় কোন জিনিসটা? হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন। আমাদের সবার প্রিয় রোধ নামক জিনিসটাই এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়। রোধ কি জিনিস সেটা আশা করি সবাই জানেন। Resistor শব্দটির সাথেও মোটামুটি সবাই পূর্বপরিচিত। সহজভাবে বললে রোধক বা Resistor হল এক ধরনের দুই প্রান্ত বিশিষ্ট যন্ত্রাংশ যা শুধু মাত্র বিদ্যুৎ প্রবাহে বাধা দেয়ার জন্য ব্যবহার করা হয় (অবশ্যই passive এবং bilateral). যন্ত্রপাতিতে আমরা যে Resistor ব্যবহার করি সেটা মূলত Carbon composition resistor এবং Carbon film resistor. এগুলোর আকার সাধারণত বেশ ক্ষুদ্র হয়, যার কারণে এদের গায়ে রোধের মান লেখার জায়গা থাকে না। তো এই সমস্যা দূর করার জন্য নির্মাতারা resistor-এর গায়ে বিভিন্ন রঙের দাগ দিয়ে থাকেন। এই রঙিন দাগ ও তার অবস্থান দেখে রোধের মান প্রকাশ করাকেই বলা হয় Colour code of resistance বা Resistor colour code. মূল আলোচনা শুরু করার আগে আমাদের একটা বিষয়ের সাথে পরিচিত হতে হবে, সেটা হল টলারেন্স (Tolerance). কোন resistor-এ রোধের মান সুনির্দিষ্ট করে নির্মাণ করা খুবই কঠিন একটা কাজ। কারণ আমরা জানি, কোন পরিবাহকের রোধ তাপমাত্রার উপর নির্ভরশীল। তাপমাত্রার পরিবর্তন হলে রোধের মান পরিবর্তিত হয়। তাই নির্মাতারা resistor-এর রোধের মান কতটুকু পরিবর্তিত হতে পারে তা নির্দিষ্ট করে দেন। যার মাধ্যমে এটি করা হয় সেটাই হল Tolerance বা সহনশীলতা। একটা উদাহরণ দিলে বুঝতে সুবিধা হবে। 1K ohms বা 1000 ohms-এর একটি resistor-এর tolerance ±5% বলতে বোঝায়, resistor-টির রোধের মান পরিবর্তন হতে পারে 1000 ohms এর 5% বা 50 ohms. অর্থাৎ যদি তাপমাত্রার পরিবর্তন হয়, তাহলে রোধে%

Please follow and like us:
Post a Comment

Comments are closed.

Translate »
%d bloggers like this: